Table of Contents
Toggleমোস্তাফিজকে ছেড়ে বোলিংয়ে বেহাল দশা কলকাতার
বাংলাদেশ ভারতের রাজনৈতিক দ্বন্দ্বে মোস্তাফিজকে দলে ভিড়িয়েও বাদ দেয় কলকাতা। মাথিশা পাথিরানা এবং মোস্তাফিজকে দলে ভিড়িয়ে বোলিং ইউনিটকে শক্তিশালী করা কলকাতার ভাগ্য এতটাই খারাপ যে পাথিরানাকেও এখন পর্যন্ত দলে পায়নি শাহরুখ খানের দলটি। ৫ ম্যাচের ১ টি বৃষ্টির কারনে পরিত্যাক্ত হলেও বাকি চারটি ম্যাচের সব গুলোই হেরেছে কলকাতা। ফলে টুর্নামেন্টের এখনো অনেক অংশ বাকি থাকলেও সবার আগে ছিটকে পড়ার শঙ্কায় আছে দলটি।
ব্লেসিং মুজারাবানিকে দিয়েও কাঁটানো যাচ্ছে না মোস্তাফিজের ঘাটতি
ফিজের বদলি হিসেবে জিম্বাবুয়ান পেসার ব্লেসিং মুজারাবনিকে দলে ভেরালেও দলের চাহিদা পূরন করতে না পারায় একাদশে জায়গা হচ্ছে না জিম্বাবুয়ান পেসারের। ফলে শ্রীলঙ্কা বোর্ডের সাথে দ্রুত যোগাযোগ করে ছাড়পত্র নিয়ে দলের সাথে যোগ হচ্ছে মাথিশা পাথিরানা। ফিটনেস জনিত সমস্যায় শ্রীলঙ্কা ক্রিকেট বোর্ড থেকে ছাড়পত্র পেতে সমস্যা হচ্ছিল পাথিরানার। কলকাতা নাইট রাইডার্সের অবস্থা দেখে হয়তো মন গলেছে শ্রীলঙ্কার ক্রিকেট বোর্ডেরও।
তবে ব্লেসিং মুজারাবানি ২ ম্যাচ সুযোগ পেয়ে যে খুব খারাপ করেছে তা নয়। মুম্বাই ইন্ডিয়ানসের সাথে ৩ ওভার বোলিং করে ৩৪ রান দিয়ে উইকেটশূণ্য ছিলেন। অন্য ম্যাচে সানরাইজার্স হায়দারাবাদের বিপক্ষে ৪ ওভার বোলিং করে ৪১ রান দিয়ে ২ টি উইকেট নিয়েছিলেন। যা এবারের আইপিএলে বোলারদের হতাশার সময়ে তুলনামূলক খারাপ নয়। যেখানে ভারতীয় রুপিতে ২৫ কোটি দিয়ে কেনা ক্যামেরুন গ্রিন নিয়মিত ব্যর্থ হচ্ছে।
দায়ভার কি বিসিসিআইকে দেবেন শাহরুখ?
নিলামের রাখা খেলোয়াড়কে ভারতীয় মুদ্রায় ৯ কোটিতে কেনার পরও মুস্তাফিজকে ছাড়তে বাধ্য হয় কলকাতা নাইট রাইডার্স। মোস্তাফিজকে পেতে কতটা আগ্রহী ছিল কলকাতা তা নিলামের টেবিলে ভালভাবে বুঝিয়ে দিয়েছিল কলকাতা। যাকে নিয়ে ছক তৈরি করেছিল কলকাতা নাইট রাইডার্স সেই মোস্তাফিজকে না পাওয়ার বিষয়ে চাইলে বিসিসিআইকে দোষারোপ করতে পারেন দলটির মালিক শাহরুখ খান। যাকে দলে রাখা যাবে না সেই খেলোয়াড়কে কেন নিলামে রাখা হল? দলের স্বার্থের চেয়ে বিসিসিআইয়ের স্বার্থকে অগ্রাধিকার দিয়ে হয়তো নিজেকে সরিয়ে নিবেন শাহরুখ খান। তবে প্রশ্নটি থেকে যাবে সব সময়।
পারফরমেন্স বিবেচনায় টিকে থাকা কঠিন হবে কলকাতা নাইট রাইডার্সের
গ্রুপ পর্বের এখনো ৯ ম্যাচ হাতে রয়েছে নাইট রাইডার্সের। ৫ ম্যাচ শেষে ১০ দলের এই টুর্নামেন্টে ১০ নম্বরে দলটির অবস্থান। ৯ ম্যাচ হাতে থাকলেও দলীয় পারফরম্যান্স এবং সমন্বয়হীনতার অভাব স্পষ্ট হওয়ায় ঘুরে দাঁড়ানো প্রায় অসম্ভব কল্পনা হয়েছে কলকাতার। পূরো দলটির প্রায় সবাই পারফর্ম করতে ব্যর্থ। ফলে ভূলে যাওয়ার মত একটা আসর সম্ভবত হতে চলেছে কলকাতার জন্য। টূর্নামেন্ট শেষে হয়তো ব্যর্থতার কারণ খুঁজতে গিয়ে মোস্তাফিজকে স্মরণ করবে অনেকে।